সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১০

আমাদের অন্তর্গত যোদ্ধারা এবং যুদ্ধের পূর্বপ্রস্তুতি

প্রথম পর্বঃ ভগবানের নৃসিংহ অবতার এবং শুকরের জ্বর দ্বিতীয় পর্বঃ শুকরের জ্বর এবং আমাদের অন্তর্গত যোদ্ধারা
[বিধিবদ্ধতাহীন সতর্কীকরণঃ আগের দুটি পর্ব না পড়লে এই পর্বটি ঠিকমতো বুঝতে পারবেন না। দেঁতো হাসি ]
বলছিলাম স্পেশাল ফোর্সের কথা। মনে নেই? সেই যে বলেছি আমাদের শরীরে থাকে দুই ধরনের যোদ্ধা। একধরণের যারা "সদাপ্রস্তুত"। আরেক ধরণের যারা "স্পেশাল ফোর্স"। স্পেশাল ফোর্স আবার দুই ধরণের। একধরণের যাদের বলে B cells, আমি বলি বল্টু। আরেক ধরণের যাদের বলে T cells, আমি বলি টাল্টু। শুরু করি টাল্টুদের দিয়ে,

টাল্টুরা এমনিতে সংখ্যায় থাকে কম। কম মানে মে-লা- কম। এরা আবার বিভিন্ন জাতি-বর্ণে বিভক্ত (আগেই বলেছি স্পেশাল ফোর্স বর্ণবাদী)। এদের বর্ণ আর জাত যাই বলুন তা নির্ধারিত হয় তাদের হাত দেখে। মানে ভিন্ন ভিন্ন টাল্টুদের থাকে ভিন্ন ভিন্ন হাত। যে টাল্টুর হাতে দুই আঙ্গুল, তার পক্ষে শত্রুর কান ধরতে সুবিধা। সে তাই কান ওয়ালা শত্রু খুঁজতে থাকে। সেরকম কাউরে পাইলেই একবারে কচ্ছপের কামড় দিয়ে ধরে! ঠিক তেমনি যে টাল্টুর হাতের আঙুলগুলো সাপের মতো, সে খোঁজে চিকন কোমরওয়ালা শত্রু। সেইটাই তার ধরতে সুবিধে। যার হাতের আঙুল বড়শীর মতো, সে খোঁজে কোন শত্রুর মাছের মতো ঠোঁট। আর যার হাতখানি ছাতার হাতলের মতো সে খুঁজে বেড়ায় কার ঘাড়খানি সরু। এইভাবে নানারকম হাতওয়ালা টাল্টুদের লক্ষ্য থাকে ভিন্নরকম শত্রু।
সমস্যা হচ্ছে টাল্টুরা বাংলাদেশ পুলিশের মতো। মানে তারা গতিতে শম্ভুক। অবশ্য সে কেবল প্রথম পর্যায়ে। শত্রু সাধারণত এক সঙ্গে অনেকগুলো অনুপ্রবেশ করে আমাদের শরীরে। আর অনুপ্রবেশ করেই ক্ষ্যান্ত দেয় না, বাচ্চাও দেয় হাজারে হাজার। যাই হোক, শত্রু ঢুকলেই আমাদের সদাপ্রস্তুত বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের উপর। সদা প্রস্তুত বাহিনীর মধ্যে গিলেখাদকরা সবচাইতে কারিৎকর্মা। গিলেখাদকদের কথা আগেই বলেছি, যারা শত্রু গিলে খায়। গিলেখাদকরা আবার টাল্টুদেরও সাহায্য করে। তারা শত্রু তো গিলে খায়ই, সেই সঙ্গে দেখে শত্রুর বিশেষ বৈশিষ্ঠ্যটি কি। মানে তার কান আছে, সে কোমরওয়ালা, তার মাছের মতো ঠোঁট নাকি তার চিকন ঘাড়। এরকম হাজারো বৈশিষ্ঠ্যের যেটিই সে খুঁজে পাক ওই অংশটুকু কেটে সে তার শরীরের বাইরে ঝুলিয়ে রাখে। কেবল ওই বিশেষ অংশটুকু বাদে শত্রুর বাকি অংশ সে হজম করে ফেলে। ধরি, কোন এক শত্রুর চিকন ঘাড়। যাকে গিলে খাদক ধরে হজম করে ফেলেছে, আর তার ঘাড়খানি কেবল কেটে ঝুলিয়ে রেখেছে তার শরীরের বাইরে। এখন যে টাল্টুর হাতখানি ছাতার হাতলের মতো সে যখনই গিলেখাদকের শরীরে ঝোলানো চিকন ঘাড়খানি দেখবে তখনই শুরু হবে তার তরিৎ যুদ্ধায়োজন। কারণ সে ভাবে (চাই সত্যি থাকুক আর না থাকুক) গিলেখাদক একটাকে হজম করলেও এই শত্রুরা সমুলে নিপাত যায়নি। আর তাই সে খুব দ্রুত বাচ্চা দিতে থাকে। ফলে দু'একদিনেই বিশেষ এই টাল্টুদের সংখ্যা দাঁড়ায় লাখে লাখ। এবার তারা দুভাগে ভাগ হয়। একভাগ যায় যুদ্ধে শত্রুনিধন করতে। আর আরেকভাগ থাকে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে। (রিজার্ভ ফোর্সের এই ব্যপারটি মনে রাখুন, পরে এই প্রসঙ্গে আসছি)। গিলে খাদকদের মতো করে টাল্টুদের সংকেত দেয় ভাইরাস আক্রান্ত কোষও। ভাইরাসের নিয়ন্ত্রনে থেকেও সে এইটুকু করতে ভুল করেনা। অনেকটা ডাকাতের বন্দুকের সামনে হাত তুলে দাঁড়িয়ে থেকেও, পা দিয়ে এলার্মের বোতামটি টিপে দেয়ার মতো। আক্রান্ত কোষটি দুটি কাজ করে, একটি হচ্ছে সে টাল্টুদের সংকেত দেয়। এটি একবারেই গিলেখাদকেদের মতো করে। মানে সে তার শরীরে শত্রুর কোন ছেঁড়া জামাকাপড় বা অন্য কোন কিছু ঝুলিয়ে রাখে। আর সে আরেকটি সংকেত দেয়, যাতে তার পাশের কোষগুলি সাবধান হরে পারে যে, শত্রু নাকের ডগায় আছে।
টাল্টুরা শত্রু মারে নানা কায়দায়। একপ্রকার আছে যারা শত্রুর কাছে গিয়ে বিষ ছিটায়। সে বিষ বড় ভয়ঙ্কর। তার ধাক্কা সামলাতে পারে এমন শত্রু নেই। কেবল শত্রু নয়। ভাইরাসের কথা বলেছিলাম না? ভাইরাস যেসব কোষে ঘাঁটি গাড়ে সেসব কোষও বিষ ছিটিয়ে নষ্ট করে টাল্টুরা। আরেক ধরনের টাল্টু আছে যারা বিশেষ সংকেত দিতে পারে। সেই সংকেত এমনিতে দুর্বোধ্য, কিন্তু আমি তার বাংলা অনুবাদ জানি। বাংলায় সে সংকেতের মানেঃ "হে মহান দেশপ্রেমিক গিলেখাদক প্রজাতি। আপনার সারা দেশ থেকে মার্চ করে দ্রুত এই অঞ্চলে রিপোর্ট করুন। এইখানে বিশেষ ধরণের শত্রুর আক্রমন ঘটিত হইয়াছে। রিপোর্টিং: সংকেত দানকারী টাল্টুগন।" এই সংকেত পাওয়া মাত্র সারা শরীর থেকে গিলেখাদকরা ছুটে আসে। আর টাল্টুদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শুরু করে শত্রু নিধন। শেষ যে ধরণের টাল্টুর কথা বলব তারা সংকেত দেয় বল্টুদের (B cells)। বল্টুরা এই সংকেত পেয়ে কি করে তা বলছি এবার।
বল্টুরা (B cells) অনেকটা টাল্টুদের মতোই। তাদেরও থাকে টাল্টুদের মতো বিশেষ ধরনের হাত। তাদের হাতের গুণাবলিও টাল্টুদের হাতের মতোই। তারা সংকেত পায় কোত্থেকে তা তো বললাম। বিশেষ ধরণের টাল্টুরা তাদের সংকেত দেয়। অবশ্য কেবল এই নয়। অনেক ক্ষেত্রেই বল্টুরা সরাসরি শত্রু চিনতে পারে। আর চিনতে পারা মাত্রই তাদেরও শুরু হয় গণহারে বাচ্চা দেয়া। আবারও বলে রাখি আগত শত্রুর শরীরের বিশেষ অংশের সঙ্গে যে বিশেষ বল্টুর হাত মিলে যায় কেবল তারাই বাড়তে শুরু করে এই প্রক্রিয়ায়। যাই হোক, লাখে হাজারে বৃদ্ধি পেয়ে বল্টুরাও টাল্টুদের মতো দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এক ভাগ যায় যুদ্ধে। আর আরেক ভাগ থেকে যায় রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে। বল্টুদের একটি বিশেষ ক্ষেত্রে টাল্টুদের সঙ্গে পার্থক্য আছে। সেটি হল, যেসব বল্টু যুদ্ধে যায় তারা কেউ সরাসরি শত্রু মারতে পারেনা। তারা তাদের হাতগুলি যুদ্ধক্ষেত্রে ছেড়ে দেয়। আপনারা বল্টুদের এই হাতগুলোর নাম শুনে থাকবেন। এগুলোকে বলে এন্টিবডি। দেঁতো হাসি
যুদ্ধরত বল্টুরা অনবরত বিশেষ ধরণের হাত বানাতেই থাকে আর ছাড়তে থাকে। এই হাতগুলি (এন্টিবডি) গিয়ে লেগে যায় শত্রুর গায়ে। এর ফলে বেশ কিছু মজার ঘটনা ঘটে। এক এক করে বলি, প্রথমতঃ বল্টুর হাত, মানে এন্টিবডি শত্রুর গায়ে লেগে গেলে গিলেখাদকদের বিশেষ সুবিধা হয়। যে গিলেখাদকটি সাধারণত একশ শত্রু খেতে পারে, শত্রুর গয়ে এন্টিবডি লাগানো থাকলে সে খেতে পারে এক লাখ অ্যাঁ । বুঝুন তাহলে কতদ্রুত কমে আসে শত্রুসংখ্যা! দ্বিতীয়তঃ এন্টিবডিগুলো গিয়ে লেগে যায় শত্রুর বিশেষ হাতের সঙ্গে। ফলে শত্রুর হাতের আর কোন ক্ষতি করার ক্ষমতা থাকে না। মানে শত্রু হয়ে যায় অথর্ব। আর তৃতীয়তঃ কিছু শত্রু আছে বিশেষ ধরনে বিষ ছড়ায় আমাদের কোষগুলিকে মারার জন্য, এন্টিবডি সেইসব বিষ নির্বিষ করে ফেলতে পারে। অনেকটা ওঝার সাপের বিষ ঝাড়ার মতো দেঁতো হাসি
রিজার্ভ ফোর্স নিয়ে আরো কিছু প্যাচাল পাড়ব বলেছিলাম দেঁতো হাসি । সে বিষয়ে আসি এবার। একবার যখন শত্রু ঢোকে শরীরে তখন টাল্টু বল্টুদের প্রস্তুতি নিতে বেশ সময় লেগে যায়। এই সময় সাধারণত তিন দিন থেকে এক সপ্তাহ। তাদের সংখ্যা এমনিতে থাকে একেবারেই নগন্য। তাই যুদ্ধের আগে নতুন সৈন্য রিক্রুট করতে হয়। আর সবার আগে তাদের সংকেত পাওয়ার ব্যপারটি আছে। সংকেত না পেলে তারা জানবে কিভাবে যে শত্রু এসেছে! এদের প্রস্তুতি নিতে সময় লাগে দেখেই ডাক্তাররা সাধারণ জ্বর-জারি হলে বলেন তিন দিন অপেক্ষা করতে দেঁতো হাসি । যাই হেপক বল্টুরা একবার সংকেত পেয়ে প্রস্তুত হতে পারলে তো বললামই, যে, তাদের একাংশ থেকে যায় রিজার্ভ ফোর্স হিসাবে। এই রিজাভ ফোর্স অত্যন্ত ভাল একটি যোদ্ধার দল। কারণ তারা শত্রু নিধনের পরও বহুদিন (সময়টা নির্ভর করে রিজাভ ফোর্সের ধরণের উপর। কেউ থাকে দশ বছর, আবার কেউ থাকে আজীবন) থেকে যায় শরীরে। সুতরাং পরেরবার একই শত্রু আক্রমন করলে আর নো চিন্তা বগল বাজাও দেঁতো হাসি । কারণ এবার আর টাল্টু বল্টুরা তৈরী হতে সময় নিচ্ছে না। তারা এবার যাবে ডাইরেক্ট একশনে। বলে রাখি, টাল্টু বল্টুরাই আমাদের আসল যোদ্ধা। ওরা না থাকলে আমরা সাধারণ সর্দি কাশিতেও মরব। আমাদের শরীরে যেসব জীবানু এমনিতে লক্ষী ছেলে হয়ে বসবাস করে তারাও আমাদের শত্রু হয়ে উঠবে টাল্টু বল্টুরা না থাকলে। ব্যপারটা ঠিক রাজা বাদশাহদের মতো, রাজারা সাধারণত ঘি মাংস খেয়ে ভুঁড়ি বাধিয়ে রাজ্যের সবচাইতে নিষ্কর্মা ব্যক্তি হয়ে থাকেন। তাই প্রহরীরা না থাকলে রানীর আয়াটিও রাজাকে ঝাঁটাপেটা করতে একবিন্দু ডরায় না।
আমাদের যুদ্ধ প্রস্তুতিঃ
আমরা মানে মানুষেরা বিশেষ বুদ্ধিমান প্রাণি (মাইক্রোবায়োলজিতে না পড়লে আমি সত্যি এই কথাটি বিশ্বাস করতাম না দেঁতো হাসি )। কারও কোন রোগ হলে আমরা সবার আগে খুঁজে বের করি রোগটির জন্য দায়ী কে। শত্রু খুঁজে পেলেই খুঁজে বের করি তার বিশেষ গুণটি। মানে সেই শত্রু কানওয়ালা, তার চিকন কোমর, সরু ঘাড় নাকি তার মাছের মতো ঠোঁট। এবার আমরা শত্রুকে বিশেষ ব্যবস্থায় খাবার দেই, তাদের বংশ বাড়াই। আর শেষমেশ শত্রুর সেই বিশেষ অঙ্গটি দেঁতো হাসি কেটে নেই। ধরি সেটি তার কান। এবার লক্ষ শত্রুর কান কেটে আমরা ঢুকিয়ে দেই আমাদের শরীরে। টাল্টু বল্টুরা তো চেনে কেবল শত্রুর সেই বিশেষ অঙ্গই। সুতরাং তারা ভাবে শত্রু এসছে, প্রস্তুত হতে হবে। তারা প্রস্তুত হয়। কেবল শত্রুর কাটা কানতো আর রোগ বাধাতে পারেনা, তাই টালটু বল্টুরাও কেবল প্রস্তুত হবার সংকেতটি পায়। তাদের যুদ্ধে যেতে হয়না। তারা থেকে যায় রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে। শরীরে কোন শত্রুর বিরুদ্ধে পুর্বে থেকেই প্রস্তুত স্পেশাল ফোর্স থাকলে সেই শত্রু আর আমাদের কাঁচকলাটিও করতে পারেনা। দেঁতো হাসি
কেবল শত্রুর কানের কথাটি বলেছি বোঝার সুবিধার্থে। সবসময় কান বা বিশেষ অঙ্গ নয়, কখনো কখনো আস্ত শত্রুকেই শরীরে ঢোকানো হয় টাল্টু-বল্টুদের প্রস্তুত করে রাখার জন্য। তবে তার আগে শত্রুদের হয় অক্ষত রেখে মেরে ফেলা হয়, নয়ত আধমরা করে ফেলা হয় যাতে তারা সংকেত দিতে পারলেও রোগ না বাধাতে পারে।
শত্রুর কাটা কান, অথবা মরা বা আধমরা শত্রুর এই প্রিপারেশনটিকে বলে ভ্যাকসিন। মনে হয় নাম শুনেছেন দেঁতো হাসি
একটা দুঃখের কথা বলে শেষ করব আজ। এইডসের নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই। এইডসের বাংলা মানে করলে দাঁড়ায়, দীর্ঘমেয়াদী রোগ-প্রতিরোধ-ক্ষমতাহীনতার লক্ষণসমুহ। এইডসের জন্য দায়ী ভাইরাসটির নাম এইচআইভি (এটি দেখতে 'মে' ফুলের মতো!)। তার পুরো নামের বাংলা করলে দাঁড়ায়, মানুষের রোগ-প্রতিরোধ-ক্ষমতাহীনকারী ভাইরাস। এই ভাইরাসটি সরাসরি টাল্টুদের (T cells) আক্রমন করে। তারা টাল্টুদের শরীরে বাসা বেঁধে তাদের নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয়। তাদের কলকব্জা ব্যবহার করে বানায় নিজের বংশধর। যতো শত্রুর কথা বলেছি তাদের কেউই আমাদের অন্তর্গত যোদ্ধাদের আক্রমন করেনা। তারা আক্রমন করে আমাদের কোষগুলিকে, যোদ্ধারা আমাদের কোষগুলিকে বাঁচায়। যখন যোদ্ধারাই আক্রান্ত হয় তখন আমরা নিতান্ত অসহায় হয়ে যাই। যোদ্ধাদের বাঁচানোর জন্য কোন যোদ্ধা আমাদের নেই! মন খারাপ আর যখন আমাদের যোদ্ধারাই মারা যেতে থাকে তখন আমাদের ক্ষমতা থাকে না এমনকি দুর্বলতম শত্রুটির বিরুদ্ধেও লড়াই করার। ফলাফল তো সবার জানা। কেবল এইডস হলে মানুষ মরবে না। কিন্তু যার এইডস হয়েছে সে সামান্য কাশিতেও মারা যাবে। বর্ষার প্রথম জলে মনের উল্লাসে ভিজে যদি সে সামান্য জ্বরও বাধায়, তার সেই জ্বর আর কখনো সারবে না...
[মনে হচ্ছে এই পর্বটি বেশ খটমট হয়ে গেল। ধোলাই খাব নাকি !!!]
২০০৯-০৬-২৫ বৃহস্পতিবার সচলায়তনে প্রকাশিত

কোন মন্তব্য নেই: