মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১০

অন্য পৃথিবীর গল্প (৫): বিদায় পৃথিবী

যেদিন চলে আসি সেদিন ব্যস্ততা কমই ছিল। আগের রাতে সাদ্দাম ভাইয়ের কাছ থেকে জেনে নিয়েছিলাম কিভাবে কোথায় যেতে হবে এয়ারপোর্ট থেকে। সেদিন সবার আগে গিয়েছিলাম কলেজে। আগেরদিন স্যার বলেছিলেন যেন একবার ঘুরে যাই। ভদ্রতার খাতিরে হলেও তাই যাওয়ার দরকার ছিল। কলেজে গিয়ে স্যারের সঙ্গে কথা বললাম। দেখলাম উনি অনেকগুলো আয়োজন করে বসে আছেন। ছোট্ট একটা বিদায়ের অনুষ্ঠান। গ্রামীন ক্যালেডোনিয়ান কলেজ অব নার্সিংয়ের প্রিন্সিপাল ছিলেন ক্যালেডোনিয়ান ইউনিভার্সিটির নার্সিংয়ের ডিন বারবারা প্রাফিট। উনি আমাকে তাঁদের সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ-টাদ লিখে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটা বই উপহার দিলেন। কখনো স্কটল্যান্ডে গেলে অবশ্যই যেন তাঁর সঙ্গে দেখা করি বলে দিলেন তাঁর কার্ড। আর বললেন ফিরে এসে যে আবার জয়েন করি ওখানেই।

নার্সিং কলেজে আমি জয়েন করেছিলাম গেস্ট লেকচারার হিসেবে। তাতে চাকরির নিশ্চয়তা নেই। ক্লাস গুনে বেতন। কাজ শুরুর মাসখানেক পর অবশ্য স্থায়ী হয়ে যাওয়ার অফার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেক্ষেত্রে আমাকে অন্তত দু'বছরের জন্য নিশ্চিত সেখানেই কাজ করতে হত। আরো পড়াশোনার ইচ্ছে ছিল বলে সেই আবেদনে সাড়া দেইনি। তবে শেষ মুহূর্তে বারবারা'র কথা শুনে ভালই লেগেছিল। মনে হয়েছিল, বাহ বেশ! একটা চাকরির নিশ্চয়তা পাওয়া গেল।

আমার জন্য ভাইস প্রিন্সিপাল নাজমুল হুদা স্যারের (যতদুর জানি এখন উনিই প্রিন্সিপাল) পরের চমক ছিল আমার বেতন। শেষ মাসের বেতন হতে আরো দেরি ছিল। আমি থাকব না বলে সেই টাকাটি উনি আমাকে আগেই পাইয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। আমি আবারো অবাক আর কৃতজ্ঞ হয়েছিলাম ওনার উপর।

কলেজ থেকে ছুটেছিলাম ব্যাংকে। সেখানে শেষ মুহূর্তের একটুখানি কাজ ছিল। বসা থেকে হাটা দূরত্বে হওয়ায় সেই মিনিট পাঁচেকের কাজ সেরে বাসায় আসতে সময় লাগেনি। বাসায় এসে হ্যান্ডব্যাগটা আরেকবার গুছিয়ে নিলাম। অল্প কিছু ইউরো নিলাম পকেটে। পার্সপোর্ট, প্লেনের টিকিট নিলাম, আর নিলাম সেই কাগজটি যেটিতে লেখা আছে আমার চরিত্র ভালো (কারো সন্দেহ থাকলে ওই কাগজের স্ক্যান্ড কপি সংযুক্ত করতে পারি) আর আমি বিদেশ যেতে চাইলে তাতে প্রশাসনের কোন আপত্তি নেই। অবশ্য ওই কাগজের কোন দরকার ছিলনা আমার। কারণ কাগজ আসার আগেই নানা জায়গা থেকে নানারকম বিকল্প সমাধান এসেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন-সচিবের ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে আমাকে! এয়ারপোর্টে কেউ কোন ঝামেলা পাকালেই যেন তাকে ফোন করি! নানা ফুটোফাটা দিয়ে আমার আত্মীয়-স্বজন আর পরিচিতরা বের হয়েছেন। ওনারা সবাই এয়ারপোর্টের দৈত্য! এয়ারপোর্টের যে কোন জায়গায় ঘষা দিলেই ওনারা বের হয়ে যে কোন সমস্যার সমাধান করবেন!

কখন কোথায় কী খেতে পাই তার ঠিক নেই। তাই খাওয়ার দরকার ছিল। অথচ ক্ষুধা ছিলনা একরত্তি। যাওয়ার আগে অবশ্য নাকমুখ সিঁটিয়ে খাওয়ার একটা 'প্রায় ব্যর্থ' চেষ্টা চালিয়েছিলাম। মা নামাজ পড়ছিলেন। নামাজ ছাড়াও অনেক কিছুই করেন তিনি সবসময় আমাদের জন্য। ওনার সব দুর্বলতা উনি ঢেলে দেন ঈশ্বরের কাছে। ঈশ্বর ছাড়া সেই দুর্বলতা আর কারো দেখার সুযোগ হয়না। যেমন নামাজে ওনার কান্না টের পেতাম, অথচ আমার চলে আসার সময়ে উনি কেঁদেছিলেন কিনা মনে করতে পারিনা। উনি বরং সবাইকে ভরসা দিচ্ছিলেন। হাসি মুখে ছিলেন সবসময়। অথচ ওনার চোখের দিকে তাকালেই ঠিক বোঝা যেত, উনি অনেক কেঁদেছেন সবার চোখের আড়ালে। মা'কে যে কত কাঁদিয়েছি, কে বলবে! মনে আছে একবার হাসপাতালে যখন প্রায় মরে যাচ্ছিলাম তখন মা লুকিয়ে খুব কাঁদতেন। বাসায় আসার পরেও (তখনো সুস্থ হইনি) আমার বিছানার পাশে বসে মা নামাজ পড়তেন আর কাঁদতেন। কখনো কখনো আমার মাথায় হাত বুলাতেন। আমি ঘুমে থাকতাম। সুস্থ ছিলাম না বলে সেই ঘুম খুব গভীর হতো না। প্রায়ই টের পেতাম আমার মাথার মা'র হাত। টের পেতাম উনি কাঁদছেন। অথচ সামনা সামনি সবসময় হাসিখুশি থাকতে ওনার ভুল হত না। কোনকিছু বলতে চাইলে যুক্তি দিয়ে বোঝাতেন সবকিছু...

রাস্তার যানজট নিয়ে চিন্তিত ছিলাম বেশ! তাই বাসা থেকে বের হতে চাচ্ছিলাম কিছুটা সময় নিয়ে। গাড়ি দাঁড়ানো ছিল। আপুরা কাঁদছিল। বাবাও। না কাঁদার খুব চেষ্টা করেও শেষ মুহূর্তে কান্না আটকাতে পারিনি আমিও। মা সবাইকে সান্তনা দিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। হাসিমুখে থাকার চেষ্টা করছিলেন। গাড়িতে উঠে ফোনে অনেকের সঙ্গেই কথা হচ্ছিল। মা, আপুরা একেকজনকে ফোন করে করে আমার হাতে ধরিয়ে দিচ্ছিলেন। আমিও মুখস্ত বুলির মতো বলছিলাম, দোয়া করবেন...।

রাস্তায় যানজট ছিলনা বলে এয়ারপোর্টে বেশ তাড়াতাড়িই পৌঁছে গিয়েছিলাম। ভেতরে কে যাবে আর কে যাবেনা বলতে বলতে দেখলাম সবাই এসেছে। অবশ্য এরকম হবে সেটা আমি আগেই আন্দাজ করেছিলাম। অভি আর শক্তি আসতে চেয়েছিল এয়ারপোর্টে। আমিই মানা করেছিলাম ওদেরকে। কারণ জানতাম এয়ারপোর্টে আসলেও কেউ আমার কাছাকাছি থাকতে পারবে না। সাড়ে চারটার দিকে বোধহয় আমার চেক-ইন ছিল। বিচ্ছেদটাও সেখানেই শুরু। সেই রেলিংয়ের এপারে একবার আসলে আর ফেরত যাওয়ার উপায় নেই।

সবাই দাঁড়ানো ছিল রেলিংয়ের ওপারে। আমি ব্যাগ দিতে গিয়ে ওজন করে দেখলাম বাসা থেকে নিয়ে আসা আমার ৪৩ কেজি ব্যাগ এখানে এসে ৪৭ কেজি হয়েছে (হ্যান্ড লাগেজ বাদে)। দায়িত্বরত কর্মী বলল আমার টিকিটে লেখা আছে আমি ২০ কেজি নিতে পারব সঙ্গে। আমি বললাম আমি সেটাকে বাড়িয়ে ৪০ কেজি নেয়ার অনুমতি নিয়েছি। কর্মী বলল সেরকম কিছু টিকিটে লেখা নেই। আমার তখন হতভম্ব হওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। ফিরে গিয়ে ট্রাভেল এজেন্সিতে বোমা ফাটাতে পারি কিন্তু তাতে এখানে আমার কোন উপকার হবেনা। আমার আত্মীয়-পরিচিত দৈত্যদের মধ্যে কাকে ডাকলে এই সমস্যার সমাধান হবে আর তাকে ডাকতে হলে এয়ারপোর্টের কোথায় ঘষা দিতে হবে সেটা যখন চিন্তা করছিলাম তখন দয়াপরবশ হয়ে এয়ারপোর্টের দ্বিতীয় কর্মীটি জিজ্ঞাসা করল এবারই প্রথম যাচ্ছি  কিনা! আমি  যতটা সম্ভব নিষ্পাপ মুখভঙ্গি করে বললাম, হ্যাঁ। আর তাতেই সে তার সহকর্মীকে বলে দিল আমাকে ছেড়ে দিতে। এবং ঠিক তখনই আমি যখন মনে মনে ভাগ্যকে এবং এয়ারপোর্টের সেই কর্মীটিকে ধন্যবাদ দিচ্ছিলাম তখন আমার দুটো ব্যাগও এগোচ্ছিল প্লেনের লাগেজ বক্সের দিকে...

ব্যাগ জমা দিয়ে আমার কাজ হল বিমানে চড়া। কিন্তু তার আগে বসে থাকে 'বিদেশযাত্রা' অফিসার। তাদেরকে ঠিকঠাক কাগজপত্র দেখাতে পারলেই তবে তারা যেতে দেয়। আমি গিয়ে তাই আমার কাগজপত্র দেখালাম। এবং যা অবশ্যম্ভাবী ছিল (আগেই জানতাম, পরিচিতরা বলে দিয়েছিলেন) তাই হল। আমার কাগজপত্র দেখে তাকে 'বিদেশযাত্রা' অফিসারকে মোটেই খুশি মনে হল না। তার চেহারা দেখে তাকে কিছুটা অগস্ত্যযাত্রা অফিসার মনে হতে লাগল। সে অবশ্য আমাকে ঘাঁটাল না। তার আরো কাজ ছিল। সে আমাকে পাচার করে দিল আরো বড় একজন অগস্ত্যযাত্রা অফিসারের কাছে। সেই অফিসার আমাকে নিয়ে নেড়েচেড়ে যাচাই বাছাই করবেন বলে প্রস্তুতি নিতে নিতে জিজ্ঞাসা করলেন, আইইএলটিএস লাগে না বাইরে পড়তে যেত হলে? আমি বললাম জ্বি, আমার সেটা আছে। এবার উনি সেই সার্টিফিকেট দেখতে চাইলেন আর আমিও দেখালাম। তখনই একটা চমক ঘটল সেখানে! আমার আইইএলটিএস'র রেজাল্ট আহামরি কিছু নয়। কোন রকমে কাজ চলার মতো। কিন্তু কেন জানি সেই রেজাল্ট দেখেই অগস্ত্যযাত্রা অফিসার কিছুটা 'হা' হয়ে গেলেন। এবং হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, উরিব্বাস, এই আইইএলটিএস রেজাল্ট দিয়ে তো দুনিয়ার যে কোন জায়গায় পড়া যাবে! তার ভাবখানা এমন যেন আমার আইইএলটিএস রেজাল্ট সম্পর্কে জানতে পারলেই দুনিয়ার সব বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি'রা এসে আমার দরোজায় ধর্ণা দিয়ে পড়ে থাকবেন দয়া করে তাদের ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার জন্য! ব্যাপারটা মোটেই সেরকম নয়। আইইএলটিএস কেবল ভাষার পরীক্ষা। তার রেজাল্টও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। গ্রহনযোগ্য একটা সীমায় রেজাল্টটা থাকলেই চলে। আর এই ব্যাপারটা আজকালকার প্রাইমারী পাশ ছাত্রছাত্রীরাও জানে। মনে মনে ভাবলাম ব্যাটা বুঝি প্রাইমারীও পাশ করে নাই (এয়ারপোর্টে চাকরি করার সুবাদে তার আমার মত এবং অবশ্যই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমার চাইতে ভালো আইইএলটিএস স্কোর ওয়ালা হাজারে হাজার ছাত্রছাত্রী দেখে থাকবার কথা! তবুও কেন তার ওরকম মনে হয়েছিল কে জানে!)। সে যাই হোক, আমি অবশ্যই আমার সম্পর্কে এবং আইইএলটিএস সম্পর্কে তার ভুল ভাঙাবার একটুও চেষ্টা করলাম না। বরং মুখে এমন একটা হাসি ধরে রাখলাম যেন, ভার্সিটির ভিসিরা আমার মত ছাত্রের পায়ে পড়ে থাকবে এ আর এমন কী! আর তাতেই কাজ হল। সেই অগস্ত্যযাত্রা (ততক্ষণে সে অগস্ত্যযাত্রা অফিসার থেকে সাহায্যপ্রার্থী অফিসারে পরিণত হয়েছে) অফিসার তখন আরো হাজার খানেক প্রশ্ন করলেন। সবই আইইএলটিএস বিষয়ে! কীভাবে আইইএলটিএস এ ভালো স্কোর করা যায়, জার্মানীতে ভর্তি হবার উপায় কী, কিভাবে কখন কী করতে হবে এরকম সব প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতেই আমি আন্দাজ করলাম সেই অফিসার অথবা তার বাচ্চাকাচ্চা কেউ 'বিদেশে উচ্চশিক্ষার'(!) সুযোগ খুঁজছেন! আইইএলটিএস বিষয়ে একটা বক্তৃতা দিতে যতক্ষণ লাগে, তার বেশী আমাকে আটকে থাকতে হয়নি ইমিগ্রেশনে। সেই সাহায্যপ্রার্থী অফিসারই হাঁক দিয়ে তার অধস্তন অগস্ত্যযাত্রা অফিসারকে বলে দিলেন আমাকে ছেড়ে দিতে। এবং আর কোন বাক্যব্যয় ছাড়াই আমি নিজেকে আবিষ্কার করলাম এয়ারপোর্টের ভেতরে বিমানের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায়।

এয়ারপোর্টে আমাকে বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল। কারণ বাসা থেকে রওনা দেয়ার পর কোন ক্ষেত্রেই বস্তুত আমার বিশেষ দেরি হয়নি। আর প্লেন ছিল ৭ টা ২০ মিনিটে। মনে হয় ঘন্টা দুয়েক সময় আমি বসে ছিলাম এয়ারপোর্টের ভেতরে। এর মধ্যে অনেকের সঙ্গেই কথা হয়েছিল। এয়ারপোর্টে বসে অথবা হাঁটতে হাঁটতে আম্মা, আব্বা, আপুরা, মান্না ভাই, আর আমার বন্ধুদের অনেকের সঙ্গেই কথা বলেছিলাম দীর্ঘক্ষণ। তারপরও হাতে অনেকটা সময় ছিল। আর কিছু করার ছিলনা বলেই হাঁটছিলাম, কফি খাচ্ছিলাম এবং অপেক্ষা করছিলাম বিদায়ের শেষ মুহূর্তটার।

শেষ মুহূর্তটা আসতে অবশ্য খুব দেরি হয়নি। হঠাৎ যেন পুরোনো পৃথিবীর উড়ো বার্তা পেয়েছিলাম একটা। সে যেন বলতে চাইছে, ভালো থাকবা রতন...। আমি কি চমকে উঠেছিলাম! কে জানে! তবে একান্ত নিরুপায় হয়ে ফেলে আসা সেই পৃথিবীটাকে ফিরতি ধন্যবাদ দিয়েছিলাম মন থেকে। ধন্যবাদ দিয়েছিলাম সব ভাঙনের জন্য, সব বিদায়ের জন্য, সব অবিশ্বাস আর কান্নার জন্য। কারণ, জানতাম আমাকে একটু একটু করে পুড়িয়ে দেয়া সেই সব ভাঙন, বিদায়, অবিশ্বাস আর কান্নারা সেদিনের সেই আমাকে গড়ে তুলেছিল। যে আমি কোন বাঁধন আর অনুভূতির তোয়াক্কা না করেই হাঁটতে পারতাম অন্য এক পৃথিবীর পথে...

বব ডিলানের লেখা, জোয়ান বায়েজের গাওয়া গান Farewell Angelina'র অনুপ্রেরণায় গাওয়া কবির সুমনের গান বিদায় পরিচিতা...:
Bidaay porichita.m...

৩টি মন্তব্য:

সাইফুল আকবর খান বলেছেন...

বিদায় শব্দটা 'বিদায়' কেন? এইটা কি বিশেষ কোনো দায়? নাকি দায়মুক্তি?
উত্তর দিতে হইবো না। এইটা কায়সায় আহমেদ চৌধুরীর রাশিফল ফলানির মতো শুরুর হুদাই হুদাই আইসব্রেকিং। :-)
বুঝি সবই, তবু, ভারি জিনিস বারবার বুকে উঠাইস না ভাই। সামনে তাকা।

অনার্য সঙ্গীত বলেছেন...

আমার মনে হয়, বিদায় হচ্ছে অতীতের দায়ভার কিন্তু সম্পর্কের দায়মুক্তি। হা হা হা আমিও মজাইলামার্কি :D
ভাই আপনার শেষ বাক্যটাতে আঁশটে গন্ধ! ;) কী কইতে চান! খ্রান পেরাইভেটে জিগামুনে :D

সাইফুল আকবর খান বলেছেন...

:-)