সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০১১

বায়োউইপনের তালিকা: একটি হত্যা পরিকল্পনা

বালিকার নাম বিমলা। এমন বালিকার প্রেমে না পড়াটাই অন্যায়। আর কে না জানে আমি অন্যায় একেবারেই সহ্য করতে পারি না। সুতরাং তার প্রেমে পড়ে গেলাম। পরের ঘটনা বেশ জটিল। সহজ করে বলার চেষ্টা করি।

সেই প্রেমে হাবুডুবু খেতে খেতে যখন আমার ডুবে মরার অবস্থা তখনই দেখি এক বজ্জাত সেই বালিকার প্রেমে সাবলীল ডুবসাঁতার কেটে বেড়াচ্ছে। পামর নিজেকে সবজান্তা বলে পরিচয় দেয়! প্রথমে ভাবলাম, যাই, গিয়ে একেবারে বীর পুরুষের মতো কুস্তি করে এক ঘুষিতে ব্যাটার নাকের চৌকাঠ ধ্বসিয়ে দেই! পরে ভেবে দেখলাম আমার এই রোগা পাতলা শরীরে কুস্তিতে সাফল্যের সম্ভাবনা নিতান্তই কম। এমনিতেই প্রেমের বাজারে স্বাস্থ্যের কদরই সবচে বেশি!
ভাবলাম, বালিকাকে গিয়ে বলি, ও খুকি, আমার ভালোবাসা অসীম অপার! সন্দেহ হলো, বালিকা জিজ্ঞেস করে বসবে, নিজের এতো ভালোবাসা থাকতে তার কাছে কী চাই! ঘটনা সামান্য নয়। বিরাট জগাখিচুড়ি অবস্থা! সেই গল্পও করব একদিন। আজকে কেবল বলি শেষমেশ কী সিদ্ধান্ত নিলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, ব্যাটাকে দুনিয়া থেকেই সরিয়ে দেবো

সম্ভাব্য উপায় ছিলো মহাকাশ যানে করে ব্যাটাকে পৃথিবীর বাইরে পাঠিয়ে দেয়া। কিন্তু সে বিরাট খরচান্ত ব্যপার! ভাবলাম গুণ্ডা ভাড়া করে ব্যাটার মাথা ফাটিয়ে দেই। কিন্তু দেখেছি, বালিকারা প্রেমের বিষয়ে মাথা নিয়ে বিশেষ ভাবে না! মাথা না থাকলেও প্রেম করতে সমস্যা নেই! তাছাড়া এখনকার গুণ্ডাগুলোতেও ভ্যাজাল। ভরসা করা যায় না। যা করার নিজেকেই করতে হবে। প্রয়োজনের সময় ভরসা করা যায় এরকম প্রাণি দুনিয়ায় কমই আছে। যা আছে তার মধ্যে কিছু আমি ল্যাবে পালি। শেষমেশ সেগুলো থেকেই হিসেব করতে বসলাম কোনটাকে ব্যাবহার করবো।

সবার আগের তালিকায় ছিলো ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস। এই সেই জীবাণু যেটাকে ব্যাবহার করে প্রথম পাস্তুরের (Luis Pasteur) জার্ম থিওরীর (Germ Theory) বাস্তব প্রমাণ দেন রবার্ট কখ (Robert Koch)। সে অবশ্য পরের কথা। আমার আগে দেখা দরকার এই জীবাণুতে কাজ হবে কিনা! জীবাণু-অস্ত্র, মানে যাকে বলে বায়োউইপন, সেটা বানাতে গেলে বেশ কিছু হিসেব মাথায় রাখতে হয়।

সেই সব হিসেবের মধ্যে পড়ে জীবাণুর ক্ষমতা কীরকম, সেটা কতটা সংক্রামক, সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা কতটুকু, মুক্ত পরিবেশে সেটা কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে এরকম অনেক কিছু।

ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস মানে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু তালিকায় প্রথমে থাকার কারণ তার বিশেষ গুণাবলী। প্রথমত জীবাণুটা মারাত্মক! শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটালে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা কমবেশি মাত্র ৩০ ভাগ। আর দ্বিতীয়ত, এই জীবাণুটি খুব চমৎকার দীর্ঘস্থায়ী এন্ডোস্পোর বানাতে পারে। এন্ডোস্পোর হচ্ছে খোলসের মতো একটা জিনিস। যেটা জীবাণুরা তাদের পেটের ভেতরে বানায়। পরিবেশের অবস্থা যদি সুবিধার না হয় তাহলে এরা নিজেদের অতিপ্রয়োজনীয় কিছু অঙ্গাণু বিশেষ ধরণের প্রোটিনের একটা শক্ত খোলসের ভেতরে ভরে ফেলে। সেই থলেটা একসময় টুপ করে তার পুরো কোষ থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। ফেলে আসা কোষটার আর তখন কানাকড়ি মুল্য থাকে না। কারণ তার কোষের প্রয়োজনীয় সব মালমশলা তখন ওই থলিতে ভরা। আর সেই থলিও যে সে থলি নয়। সে অনেক তাপেও ঝলসায় না, রেডিয়েশনে নষ্ট হয় না, এন্টিবায়োটিকে ধ্বংস হয় না, বাতাসের অক্সিজেনে  মরে না (অনেক জীবাণু বাতাসের অক্সিজেনে মারা যায়। ব্যাসিলাসও সেরকম।), পানিশূন্যতায় শুকায় না, সবচে বড় কথা শরীরের যেসব রক্ষী কোষেরা আছে তারাও এন্ডোস্পোরকে ঘায়েল করতে পারে না। এন্ডোস্পোর মানেই তাই জীবাণুর দুর্ভেদ্য দূর্গ।

ইদানিং ব্লগ লিখলেই খালি জিএমটি ভাই বলেন, ছবি দেন্নাই, ফঁছা ব্লগ! তাই দিয়ে দিলাম একটা ছবি এঁকে। ছবি আঁকায় আমার মারাত্মক প্রতিভা তো দেখাই যাচ্ছে। এই ছবিতে সাধারণ ব্যাকটেরিয়ার কোষ কিভাবে এন্ডোস্পোর হয়ে যায় সরলতম ভাবে তা দেখানোর চেষ্টা করলাম। সবার শেষে এন্ডোস্পোরটা টিকে থাকে। বাকি কোষটি নষ্ট হয়ে যায়। সুবিধাজনক পরিবেশ পেলেই এটা আবার আস্ত ব্যাকটেরিয়া কোষ হয়ে যেতে পারে!
এই ছবিতে লাল ব্যাকটেরিয়া কোষের ভেতর হালকা সবুজ রঙের এন্ডোস্পোর দেখা যায়। ছবিটা সাধারণ ক্যামেরায় তোলা। রং করার পদ্ধতিটাও সাধারণ! তা না হলে ছবি তোলাতেও আমার মারাত্মক প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যেতো!



লাল কমল নীল কমল সিনেমাটা যারা দেখেছেন তাদের মনে থাকতে পারে, সেই যে একবার বিপদে পড়ে লাল কমল নীল কমল যাদুবলে লাল নীল দুটো বল হয়ে উড়ে উড়ে কোথায় চলে গিয়েছিলো! এন্ডোস্পোরের ব্যাপারটাও সেরকম। আশ্চর্য এক সর্বংসহা অবস্থায় নিজেকে বদলে নেয়া। বায়ো টেরোরিজম যতো হয়েছে তার মধ্যে অ্যানথ্রাক্সের এই জীবাণুই ব্যাবহার করা হয়েছে বেশি। কারণ ওই যে, এই স্পোরের পাউডার খানিকটা খামে ভরে পাঠিয়ে দাও। ও যাত্রা পথে পটল তুলবে না, খামের ভেতরে রেখেছো বলে অভিমান করবে না... 

সুতরাং ভাবলাম, ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিসের খানিক এন্ডোস্পোর জোগাড় করে খামে ভরে পাঠিয়ে দিলেই হয় ব্যাটা সবজান্তাকে। কোনো বালিকার চিঠি মনে করে খুললেই বিরাট সম্ভাবনা থাকবে সেই স্পোর তার নাকের বিরাট বাইপাস দিয়ে ফুসফুসে পৌঁছাবে। আর তাতেই ব্যাটা কুপোকাত। অথবা স্পোর হাতে লেগে পেটে পৌঁছালেও অ্যানথ্রাক্সের সম্ভাবনা থেকেই যাবে। অথবা বিপদের মাত্রা কম হলেও অ্যানথ্রাক্স তো ত্বকেও হতে পারে! আর তাছাড়া অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু খানিকটা জোগাড় করে ফেলাও বিশেষ কঠিন কিছু না। ধরেন প্রথমে... থাক, পদ্ধতির কথা পরে। প্রথমে তালিকার বাকি অস্ত্রগুলোর কথা বলি।

জীবাণুরা যে বিষগুলো বানায় সেগুলোর মধ্যে সবচাইতে ভয়ঙ্কর হচ্ছে টিটেনাস টক্সিন (টক্সিন মানে বিষ), ডিপথেরিয়া টক্সিন আর বটুলিনাম টক্সিন। প্রকৃতিতে পাওয়া সবচে ভয়ঙ্কর বিষের তালিকাতেও সবার আগে আছে এই তিনটে। যাহোক, এগুলোর মধ্যে টিটেনাস আর ডিপথেরিয়া টক্সিন প্রথমেই তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিলাম। ব্যাটাকে এ দুটো দিয়ে সংক্রামিত করাই মুস্কিল হবে। বটুলিনাম টক্সিন বরং ভালো। এক কেজির দশ কোটি ভাগের ভাগের একভাগও এই বিষ যদি ব্যাটাকে গিলিয়ে দেয়া যায় তাহলেই কেল্লাফতে! মানে এক গ্রামের এক লক্ষ ভাগের একভাগ বটুলিনাম টক্সিনই একটা আস্ত মানুষকে পটল তুলিয়ে ছাড়তে পারে! যাকে বলে, "পরিমাণে লাগে কম, তাই সাশ্রয়ী"! কিন্তু তাতে আবার সমস্যা আছে। এই বিষ বিশেষ স্থায়ী নয়। মানে এটা সহজেই ভেঙে যায়!

পছন্দের আরেকটা ব্যাকটেরিয়া ছিলো, ফ্রান্সিসেলা টুলারেন্সিস। এক ধরণের প্লেগের জীবাণু। এমনিতে উকুন জাতিয় একপ্রকার পরজীবি আর একপ্রকার মাছির মাধ্যমে ছড়ায় এরা। তবে বাতাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। বায়োউইপন হিসেবে এটার বিশেষ কিছু সুবিধা আছে। মুক্ত পরিবেশে এরা বেশিদিন টিকে থাকে না। যেমনটা অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু থাকে! তার মানে বজ্জাতটাও মরল আবার জীবাণুটাও মরল। শত্রুর বাড়িতে আগুন দিলেও সেই আগুন আর নিজের বাড়িতে ছড়ালো না! জীবাণু অস্ত্র হিসেবে এই ব্যাকটেরিয়ার সবচে বড় গুণ এরা গোটা দশেক থেকে পঞ্চাশটা মিলেই রোগ সৃষ্টি করতে পারে। কে না জানে, জীবাণুরা নির্দিষ্ট সংখ্যায় সংক্রামিত না হলে রোগ বাধাতে পারে না! কারো রোগ বাধাতে দু'দশ লাখে মিলে সংক্রমণ করতে হয়, কারো আবার হাজার দশেকেই চলে। এই প্লেগের জীবাণু সেখানে মাত্র ১০টা থেকে ৫০ টা! বেশ বেশ! তালিকায় রাখলাম। তবে ঝামেলা হচ্ছে সংক্রমণ ঘটানোয়! মানে পোকা অথবা মাছিরাতো আর আমার প্রেম বোঝেনা! তারা কী আর আমার কথামতো গিয়ে বজ্জাত সবজান্তাকে কামড়ে আসবে! আবার তা না হলে বাতাসে ছড়ানোরও সমস্যা কম নয়! এই জীবাণু সংক্রমণ ঘটাতে পারে এরকম স্প্রে বা ওই জাতীয় কিছু বানানো বেশ জটিল। ভালো ঝামেলা পোহাতে হয়। এই যেমন প্রথমে... আচ্ছা থাক, এটাও পরে আলোচনা করা যাবে, আগে তালিকা বানানো শেষ করি!

গুটিবসন্তের ভাইরাস তালিকায় একেবারে প্রথম দিকে থাকতে পারত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মানুষেরা এটাকে দুনিয়া থেকে নিকেশ করেছে। মানুষেরাও যে কেমন! মৃত্যু চায় না! সে যাই হোক, গোপন সূত্রে জানি যে পৃথিবীর কয়েকটি ল্যাবে এই ভাইরাস সংরক্ষণ করা আছে। সেখান থেকে এক চামচ জোগাড় করতে পারলে বেশ হয়! এরকম দারুণ ভাইরাস, এতো সহজে ছড়িয়ে পড়ে আর এতে মৃত্যুর সম্ভাবনাও বেশ ভালো! সমস্যা হচ্ছে ল্যাব থেকে ভাইরাস জোগাড় করা। আমার ল্যাবের কালচার কালেকশনে আছে কিনা খুঁজে দেখছিলাম সেদিন। ম্যানুয়ালি খুঁজতে হচ্ছিলো, কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারছিলাম না। ফলে বেশিক্ষণ ফ্রিজ খুলে রাখায় প্যাঁ অ্যাঁ অ্যাঁ করে অ্যালার্ম বেজে, সিকিউরিটি এসে একেবারে লেজেগোবরে অবস্থা হয়ে গেল আমার! মনের দুঃখে হতচ্ছাড়াকে তালিকা থেকেই বাদ দিলাম।

বার্ড ফ্লু জিনিসটা আমার বিশেষ পছন্দের নয়। জিনিসটাকে কতখানি কিভাবে অস্ত্র হিসেবে ব্যাবহার করা যায় সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। তবে ভাইরাসটি খাসা। কী রকম দারুণ তার মাহাত্ম। ভাইরাস সমাজে নবুয়ত পাওয়ার ব্যাপার থাকলে এদেরই পাওয়া উচিত। শুকর, পাখি আর মানুষের এটাসেটা মিলিয়ে তালগোল পাকিয়ে একেবারে প্রথম শ্রেণীর জল্লাদে পরিণত হয়েছে এরা। আমাদের যেমন ড়্যাব, সেরকম। এই ভাইরাসের আবার মেলা ভাই বেরাদর। ইনফ্লুয়েঞ্জা "এ" ভাইরাসের "এইচ ৫ এন ১" সাব টাইপটা সবচে বড় পোদ্দার। নাম শুনতে যত জটিল লাগুক, আসলে ঘটনা অতো জটিল না। সব কোষের থাকে রিসেপ্টর। ভাইরাসের কোষ না থাকলেও তারও রিসেপ্টর থাকে। রিসেপ্টর হচ্ছে ধরেন ওই হাতের মতো। ধরেন একটা মানুষের লম্বা হাত আর তার বুড়ো আঙুলে ১ ইঞ্চি লম্বা নখ। তার নাম দেয়া যায় এরকম, "মানুষ লম্বা হাত বুড়ো ১"। যেমন জলপাই শাসক এরশাদের কালো হাত আর তার হাতে থাকে মানুষ মারার বন্দুক। তার নাম দেয়া যায়, "অমানুষ কালো হাত বন্দুক"। ইনফ্লুয়েঞ্জা "এ" ভাইরাস সাবটাইপ "এইচ ৫ এস ১" মানে হচ্ছে সেরকম, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস যারা আছে হেমাগ্লুটিনিন ৫ আর নিউরামিনিডেজ ১ ধরনের রিসেপ্টর। তবে সেসব জটিলতায় না যাই। বেশি বকবক করতে গেলে আমার জ্ঞানের বাটির তল দেখা যাবে। আর তাতে আমার প্রেমোদ্ধারও হবে না।

তালিকায় বেশ কিছু নাম লিখে লিখেও কেটে দিতে হলো। এসব অস্ত্রের তেজ নেই আর। ঝামেলা হয়েছে কি, মানুষেরা মানুষ মারতে চায় না। তাদের মত দেখতে একদল প্রাণি যেখানে সব শেষ করে হলেও মানুষ মেরে ফেলার কলকব্জা বানাচ্ছে। আর কিভাবে কতো সহজে বেশি মানুষ মেরে ফেলা যায় অথবা কিভাবে ব্রেইন ওয়াশ করলে মানুষ মেরে ফেলতে একটুও হাত না কাঁপে বরং বেশ গর্ব হয় তার ট্রেনিং নিচ্ছে। সেখানে খানিক হতচ্ছাড়া মিলে ঝিলে খালি চাইছে যেন মানুষেরা বেঁচে থাকে। কী আপদ! প্রেমের জন্য দুচারটে খুন করবো তারও ভালো উপায় নেই! একবার ভাবলাম একটা ভাইরাস ডিজাইন করে ফেলি। এই তো সেদিন ক্রেইগ ভেন্টর কৃত্রিম ব্যাকটেরিয়া বানিয়ে মানুষ নামটিকে একটানে দশ আলোকবর্ষ উঁচু করে ফেলেছেন। সেখানে সামান্য একটা ভাইরাস বানাতে কী লাগে! আস্ত নতুন না বানাতে পারি, পুরোনো একটাকে ধরে কেটেকুটে তো সহজেই নিজের মতো করে গড়ে নেয়া যায়। বসে বসে এই সব সাতপাঁচ ভাবছি আর হঠাৎ সেই নচ্ছার সবজান্তা নক করে ফোঁস ফোঁস করে কাঁদতে লাগলো।

আমি ঠিকই বুঝে ফেললাম ঘটনা কী! নিশ্চয়ই বিমলা ব্যাটাকে কাঁচকলা দেখিয়েছে! খুশি চেপে রেখে বেশ দুঃখী দুঃখী ভাব করে বললাম, কীরে তোর প্রেমিকা ভেগে গিয়েছে? বলে কিনা, "প্রেমিকা তো ভাগবেই! না ভাগলে আর প্রেমিকা কীসের! ওতে কান্নার কী আছে! আমার চোখে কী একটা পোকা ঢুকেছে বলে পানি বেরোচ্ছিলো"! বললাম, তবে কী তুই বিমলার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলি না? বলল, আরে ছি ছি, ও তো আমার পিসতুতো দিদি হয়! তাই ওরকম মাঝে সাঁঝে আমার সঙ্গে ওকে দেখিস!

আমি মনে মনে বললাম, শালা!

সচলায়তনে প্রকাশিত।

২টি মন্তব্য:

রিং বলেছেন...

খুবই সুন্দর লেখা সংগীত। লেখাটা পড়ে কেমন যেনো পশ্চিমা বিশ্ব, তৃতীয় বিশ্ব, ভারতীয় উপমহাদেশ, বাংলাদেশ, রংপুর-লালমনিরহাট, ম্যাংগো পিপলস(আমজনতা), আদমশুমারিতে ১৮কোটির উপরে জনসংখ্যা ১৫ কোটির নিচে হিসেব হওয়া,সব-সবকিছু ভজঘট করছে মাথার মধ্যে।

নামহীন বলেছেন...

khub e interesting hoise...information presentation er Oshadharon system
....shoptorshi