মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০১৩

ইউরোপে এবারের সচলাড্ডা

এইবার সচলাড্ডা হলো হুট করে। কিন্তু ভালই হলো। অন্যবার আগে থেকে প্লান করে করেও খুব জনসমাগম হয়না। সবাই সময় করে উঠতে পারেন না। হুট করে ইউরোপে আসাও সবার জন্য সম্ভব হয়না। এইবার হুট করে আয়োজন হলেও আড্ডাবাজ সমাগম হলো ভালই। মুর্শেদ ভাই প্রতিবারই আমার মতো গরীব ছেলেপেলের ফারশাইনের (জার্মান রেল টিকিট) পয়সা দেন। তারপর আড্ডায় এসে উনি বসে বসে সচলায়তন সামলান আর আমরা আড্ডা মারি। আমি প্রতিবারই ঘোষণা দেই, সচলের ডেভলপার যদি এইরকম অমানবিক উদার না হবেন তো কে হবেন? সচলের ডেভলপার হতে গেলে খানিক ত্যাগ স্বীকার করতেই হয়! মুর্শেদ ভাই অবশ্য বলার চেষ্টা করেন, ছেলেপেলে তার সর্বনাশ করে ছাড়তেছে প্রতিবছর। আমেরিকা থেকে দুটো, বাংলাদেশ থেকে একটা আর ইউরোপের এদেশ-সেদেশ থেকে মোট ৮ টা প্লেন টিকিট আর ৪টা রেল টিকিটের খরচ গেছে ওনার পকেট থেকে এবার। সচলের ডেভু হলে আমার কী হতো সেই ভেবে আমি মাঝে মাঝে ঘেমে উঠি!


তানভীর ভাই (সচল স্পর্শ) সিঙ্গাপুর থেকে আমস্টারডাম এসেছিলেন এক সেমিনারে। আমি বলে রেখেছিলাম যেন নাইট ট্রেনে  বার্লিনে চলে আসেন। ওনাকে এখান থেকে নিয়ে আমি হিমু ভাইয়ের ওখানে যাবো। সবাই হিমু ভাইয়ের ওখানেই আসবে। ওনার বাসাটাই বেশী মানুষের আড্ডার উপযোগী। একজন ব্যাচেলর মানুষের যে এইরকম বিশাল বাসা থাকতে পারে তা বিশ্বাস হতে চায়না। হিমুভাইয়ের বাসায় প্রথম গিয়ে ওনার বেডরুম দেখে ভচকে গিয়েছিলাম। ওনার যে বিছানা, সেটাতে ৪-৫ জন মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুমিয়েও অর্ধেকটা জায়গা বাঁচে! সচলাড্ডার সময় রাতের বেলা অবশ্য কেউ ঘুমোবার সুযোগ পায়না। গতবার আশু শেষরাতের দিকে ঘুমিয়ে পড়েছিল। সুবাহানাল্লাহ বলে আমরা বাকি ১১ জন মার্কার-কলম নিয়ে বেচারার সারা গায়ে শিল্পচর্চা করেছিলাম। প্রথম ৩০ সেকেণ্ড পরে যদিও বেচারার ঘুম ভেঙে গেছিল, কিন্তু ১১ জন উঠতি শিল্পীর শিল্পচর্চার বাধা দেয়ার সাহস সে পায়নি! যতই ক্লান্তি থাকুক, সচলাড্ডায় ঘুমিয়ে পড়া সেজন্য কোনো ভালো বুদ্ধি না!

শুরুটাই দেখি লম্বা হয়ে যাচ্ছে। ছাড়া ছাড়া ঘটনাগুলো আলাদা করে লিখব। আজকে সোজা আড্ডার দিনের কাহিনী বলি।

বার্লিন থেকে কাসেল (হিমু ভাইয়ের বাসা) ৪০০ কিলোমিটারের মতো। যেতে ঘন্টাতিনেক লাগে সব মিলিয়ে। আমি আর তানভীর ভাই সকাল সাড়ে সাতটায় রওনা দিয়ে এগারোটার খানিক পরে হিমু ভাইয়ের বাসায় পৌঁছলাম। আমার সঙ্গে একটা ছোট ব্যাগ। তানভীর ভাইয়ের ব্যাগটা খানিক বড়। উনি অনেক দূরে এসেছেন, বড় ব্যাগ থাকাই স্বাভাবিক। হিমু ভাইয়ের কাছে জানলাম আমাদের  আগে এসেছে তারেক অণু আর তার বান্ধবী। জিজ্ঞেস করলাম সেই বদলুক কোথায়?' হিমু ভাই বললেন, ও হচ্ছে তারেক অণু! সে কী আর ঘরে থাকবে! এসেই খানিক খেয়েদেয়ে বান্ধবীকে নিয়ে শহর দেখতে বেরিয়েছে। দুপুরে ফিরবে'।

তানভীর ভাই রাস্তায় রাস্তায় ছিলেন বলে আয়োজনের বিস্তারিত জানেন না। হিমু ভাই ওনাকে বললেন। আমেরিকা গোষ্ঠী এসে পৌঁছবে বিকেল বেলা। মুর্শেদ ভাই, চরম উদাস ভাই, উদাসী ভাবী, মিমি ভাবী, তানিম ভাই, জ্যোতি, আর তাসনীম ভাই। সবাই একসঙ্গেই আসছে। কানাডা থেকে মুস্তাফিজ ভাই, আর রীতা ভাবী। বাংলাদেশের নজরুল ভাই, নূপুর ভাবী, আর সুরঞ্জনা গতকাল এসেছেন মিউনিখে হাসিব ভাইয়ের বাসায়। হাসিব ভাই ওনাদের নিয়ে এখন রাস্তায়। পথে ধুগো'দাকে উঠিয়ে নেবেন। দ্রোহী'দা আলাদাভাবে পৌঁছবেন সন্ধ্যার পর।

আড্ডা শুরু হয়েছিল সন্ধ্যাবেলায়। রান্নার ভার নিয়েছিলেন রীতা ভাবী, মিমি ভাবী, নূপুর ভাবী, আর উদাসী ভাবী। ফেসবুকের ছবির ঠেলায় সবাই জানতো চরম উদাস ভাই অসাধারণ রান্না করেন। আড্ডার দিনে প্রকাশ পেল উদাসী ভাবী রান্না করেন আর সেসবের ছবি তুলে ফেসবুকে নিজের নামে প্রকাশ করেন চরম উদাস ভাই। সেই ঘটনার পর চরম উদাস ঘোষনা দিলেন, সচলাড্ডা একটা অভিশাপ। আমরা সবাই জানলাম, চরম উদাস অদ্ভুদ! রান্না-বান্নার সময় কিচেনে সারাটা সময় নজরুল ভাই ঘোরাঘুরি করেছেন কখনো সাহায্য করার নামে, কখনো লবন চেঁখে দেখার নামে! এ অবশ্য নতুন না। নজু ভাই চিরকালই পরস্ত্রীকাতর।

আমাদের সুরঞ্জনা হিমু ভাইয়ের বেডরুমের ফ্রিজ থেকে একগাদা চকলেট উদ্ধার করে আনলো। হিমু ভাইয়ের বেডরুমে উনি ছাড়া কোনো পুরুষলোকের প্রবেশাধিকার নেই বলে আমরা কেউ চকলেটের হদিস পাইনি আগে। আবিষ্কার করলাম অন্তত চারটে দেশের চকলেট আছে ঝাঁপিতে! কে জানে, বড় বিছানা থাকলে বোধহয় নানান দেশের চকলেট উপহার পাওয়া যায়! আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, আমি বড় হয়ে এরকম একটা বড় বিছানা বানাবো। গান শেখার আমার ছোটবেলার শখ!

নূপুর ভাবী ঘোষণা দিলেন ধুগো'দার জন্য সুখবর আছে। নূপুর ভাবী কারো সুখবরের ঘোষণা দিলে যার জন্য সুখবর তিনি ছাড়াও বাকি আমরা সবাই খুশি হয়ে যাই। সুখবর অনুষ্ঠানে বরাবরই আমরা কয়েক দফায় বিশাল খাওয়া-দাওয়া পাই, সেই আনন্দে। নূপুর ভাবীর মুখে সুখবরের কথা শুনে ধুগোদা খানিকটা আনমনা হয়ে গেলেন। গুনগুন করে কী জানি গান গাইতে লাগলেন। দ্রোহীদা ওনার পাশেই ছিলেন। দ্রোহীদা আবিষ্কার করলেন, ধুগো'দার গানের শিরোনাম "আজ পাশা খেলব রে শ্যাম...'। এইফাঁকে বলে রাখি, এই সচলাড্ডায় এবারই কুকিল ফিচারিং কালার প্রথম লাইভ প্রোগ্রাম হলো। সেই প্রোগ্রামের গানগুলোর রেকর্ডিং আছে জ্যোতির কাছে।

সুরঞ্জনা বাদে আমি, তানিম্ভাই আর জ্যোতি জুনিয়রদের ভেতর পড়েছি। জ্যোতি আমাকে তানভীর ভাইয়ের দিকে ইশারা করে বলল, কী হয়েছে রে? বেচারা এমন মনমরা কেন? আমি তানভীর ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম, কী হয়েছে? কথা বলেন না কেন? তানভীর ভাই বললেন, উনি ভাবছেন। ঠোঁটের ন্যাচারাল ফ্লেভার কী হতে পারে সেই নিয়ে ওনার চিন্তা। আমি খুকখুক করে উঠলাম। তানভীর ভাই বললেন, "শুনেছি স্ট্রবেরি, চকলেট এসব ফ্লেভারের লিপস্টিক নাকি পাওয়া যায়'? জ্যোতি একেবারে আকাশ থেকে পড়ে বলল, "কী বলেন! সত্যি? আমার কিউই ফ্লেভার কি পাওয়া যায়? আমার খুবই পছন্দ।' তানভীর ভাই বললেন, উনি জানেন না, তানিম ভাই ওনাকে বলেছেন। আমরা সবাই তানিম ভাইয়ের দিকে তাকালাম। তানিম ভাই বললেন উনি ওনার বন্ধুদের কাছে শুনেছেন। তাসনীম ভাই তানিম ভাইকে বললেন, এরকম বন্ধুদের মুখে কতকাল শুনবা? দ্রোহীদা বললেন লিপস্টিকের ফ্লেভারের বিষয়ে সবচে ভালো জ্ঞান রাখেন হাসিব ভাই। হাসিব ভাই উস্তাদ লোক বলে আমরা লোকমুখে শুনেছি। আড্ডায় গিয়ে সত্যি সত্যি জানলাম। হাসিব ভাই তানভীর ভাইকে জিজ্ঞেস করলেন, হঠাৎ ফ্লেভারে উৎসাহী হয়ে উঠলে কেন? বেচারা কাচুমাচু করতে লাগল। জ্যোতি আমাকে ফিসফিস করে বলল, "প্রশ্নটা কিন্তু সিরিয়াস, কী বলিস? এই বিষয়টা জানা থাকা দরকার'। আমি বললাম, "কিউই ফ্লেভার থাকলেই বা কী? তুই তো আর লিপস্টিক লাগাতে পারবি না'! জ্যোতি সম্মতি দিয়ে মাথা নাড়ল! নিজের ঠোঁটে লিপস্টিক না লাগাতে পারলেও আমার একটা দ্বিতীয় সম্ভাবণার কথা মাথায় এসেছিল কিন্তু প্রশ্ন করার সাহস পেলাম না!

মিমি ভাবী বললেন, আর কতকাল তোমরা এর ওর কাছ থেকে লিপস্টিকের ফ্লেভার সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করবা? তোমাদের সমস্যা কী!' কী বিপদ! রান্নাঘর থেকে এসে ভাবী যে আমাদের আলোচনা শুনে ফেলেছেন তা কীকরে জানবো! ভাবীর কথায় হাঁ হাঁ করে উঠলেন মুস্তাফিজ ভাই আর তাসনীম ভাই। মুস্তাফিজ ভাই এতক্ষণ বারান্দায় দাঁড়িয়ে ওনার বুলডোজার সাইজের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলছিলেন। তিনি মাত্র ঘরে ঢুকেছেন তখন। নূপুর ভাবী আমাদেরকে উদ্ধারে এগিয়ে এলেন। তিনি মিমি ভাবীবে বুঝিয়ে বললেন, ধুগো'দার বিষয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। তানিম ভাইকেও এবার দেশে গিয়ে স্বর্ণের দাম কমেছে দেখে খুব খুশি হয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে দেখা গেছে। চিন্তার আছে কেবল হিমু ভাইকে নিয়ে। উদাসী ভাবী বললেন, হিমু ভাইকে নিয়েও চিন্তার কিছু নেই। ওনার বেডরুমের রেফ্রিজারেটরে বিদেশী চকলেটের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে! আমি ভাবলাম, একটা ফ্রিজ কিনতে হবে বেডরুমের জন্য। তারপর বিদেশী চকলেট সেখানে রাখতে পারলেই নিশ্চিন্ত! জ্যোতি আমাকে আবার বলল, "প্রশ্নটার কিন্তু কোনো সুরাহা হলনা'! আমি মুখ ফুটে ওই প্রশ্ন করার সাহস পেলাম না। ভাবলাম তারেক অণুকে জিজ্ঞেস করব। লোকটা দেশে দেশে ঘুরে বেড়ায়। ঠোঁটের ফ্লেভার সম্পর্কেও সে-ই ভালো বলতে পারবে। কিন্তু তখনও সে বান্দার দেখা নেই!

দুপুরের কথা বলে ক্রোয়েশিয়ান বান্ধবীকে নিয়ে তারেক অণু হাজির হলো সন্ধ্যায়। কাচুমাচু হয়ে বলল, পাশের শহরটায় নাকি কীসের বিকিনি ফেস্টিভাল হচ্ছিল। তাই সে একচক্কর ঘুরে এসেছে। শুনে হাসিব ভাই আঁৎকে উঠলেন। পাশের শহর মানে দেড়শো কিলোমিটার। আসতে যেতে চারঘন্টা! তাসনীম ভাই জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কখন গেলে আর কখন আসলে? তারেক অণু বলল, খুব বেশি সময়ের দরকার হয়নি। দ্রোহীদা বললেন, "আরে মিয়া, পুরুষ মানুষের সময়টাই হচ্ছে আসল'। হাসিব ভাই বললেন, "ঠিক। কিন্তু একইসঙ্গে শক্তভাবে সময়কে সামাল দিতে জানতে হবে'। তারেক অণুর বান্ধবী বাংলা বুঝতে না পেরে বোধহয় খানিকটা অস্বস্থিতে ভুগছিল। চরম উদাস ভাই ওনাকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন। ইংরেজিতে অনুবাদ করে বললেন, "দীর্ঘ সময় শক্তভাবে মাথা উঁচু করে টিকে থাকাই হচ্ছে সত্যিকারের মনুষত্ব'! আমরা সবাই হাসি লুকোতে লাগলাম। তাসনীম ভাই বললেন, উদাস ছেলেটা একটা প্রতিভা।

খাওয়ার আয়োজন চলছিল। নজরুল ভাই রান্নাঘর থেকে বের হয়ে ঘোষণা দিলেন, সব রান্নায় তার বিরাট অংশগ্রহন আছে। মুস্তাফিজ ভাই বললেন, নজরুল রান্নায় না, রাঁধুনিদের সাহায্য করতে গেছিল। নজরুল ভাই গম্ভীর মুখে বললেন, "যে ব্যক্তি রাঁধুনীদের নিকটবর্তী সে সুখেরও নিকটবর্তী'! তাসনীম ভাই বললেন, "এইটা একশোভাগ সত্যি কথা'। আমি মনে মনে ভাবলাম, শোবার ঘরে ফ্রিজ আর সেই ফ্রিজে বিদেশী চকলেট রাখলেই হবেনা। রাধুনীদের নিকটবর্তী হতে হবে। তারেক অণু ঘোষণা দিল, ক্রোয়েশিয়ার রাঁধুনীরাই বিশ্বে এক নম্বর। তাসনীম ভাই বললেন, "অণু ছেলেটা বুদ্ধিমান আছে। যখন যে দেশে যায় সেই দেশের রাঁধুনীদের সুনাম করে'। চরম উদাস বললেন তিনি একটা ব্লগ লিখবেন এই প্রসঙ্গে, "এসো নিজে করি: কিভাবে রাঁধুনীদের নিকটবর্তী হবেন?'।

মিমি ভাবী খাওয়ার বিরতির ঘোষণা দিলেন। আমরা যারা নিষ্কর্মা ছিলাম তারা চামচ-প্লেট এগিয়ে নিতে লাগলাম। কোন সুদূর ইউরোপের কাসেল শহরের একটা ফ্লাট ম ম করছিল বাংলা খাবারের গন্ধে। তাসনীম ভাই সুরঞ্জনাকে বললেন খাওয়ার আগে একটা গান শোনাও। আমরা সবাই তাসনীম ভাইয়ের আদেশে হ্যাঁ ভোট দিলাম। সুরঞ্জনা গান ধরল, "পুরোনো সেই দিনের কথা ভুলবি কীরে হায়...'। তবে একা সে গাইতে পারল না। আমরাও ভাঙাচোরা গলায় সুর মিলালাম। সারাটা সন্ধ্যা কম্পিউটারে বসে সচলায়তন সামলাচ্ছিলেন মুর্শেদ ভাই। তিনিও খানিক বিরতি নিয়ে উঠে এলেন। এতগুলো অসমবয়সী মানুষ। তাদের অনেকেই একজন আরেকজনকে আগে কখনো দেখেনি। এই মানুষগুলো একসঙ্গে হয়ে নিজের বাড়ির মতো হৈ হৈ করে রান্না করে আড্ডা দিয়ে এখন বসে বসে গান গাইছে, সেটা তারেক অণুর ক্রোয়েশিয়ান বান্ধবী অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে দেখছিল। আমাকে তাকাতে দেখে সে ফিসফিস করে জানাল, সে এই গানটা শিখতে চায় আর আমাদের দেশে যেতে চায়। আমি কিছু বললাম না। ইশারায় বুঝিয়ে দিলাম, নিশ্চয়ই।

সন্ধ্যা তখনো গভীর হয়নি। পুরো রাত পড়ে আছে আড্ডার। আড্ডার বর্ণনা লিখে ঠিক কুলানো যায় না। খানিকটা চেষ্টা করলাম। খাওয়ার আগে পর্যন্ত কাহিনী সংক্ষেপে এটুকুই। বাকি গল্প বাকি থাকুক। মুস্তাফিজ ভাইয়ের ছবিগুলো প্রসেস করা হলে উনি একটা ছবিব্লগ দেবেন বলেছেন। আমিও আস্তে ধীরে বাকি আড্ডার গল্প লিখে ফেলব। তারেক অণু তো আর আড্ডার গল্প লিখবে না। তার কাছ থেকে ওই বিকিনি ফেস্টিভালের ব্লগ পড়তে অপেক্ষায় থাকুন।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

কোন মন্তব্য নেই: