সোমবার, ২৬ মে, ২০১৪

অ্যান্টিবায়োটিক পরবর্তী যুগ: মানুষের বিদায় ঘন্টা?

খানিকটা কাব্যিক শোনাতে পারে। যেরকম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে আর সামাজিক-রাজনৈতিক থ্রিলারে দেখা যায়, ঠিক সেইরকম মনে হতে পারে। কিন্তু আমি নিশ্চিত করছি, এইখানে কাব্যিক কিছু নেই। নিতান্তই বাস্তব দুঃসংবাদ লিখতে শুরু করেছি। আপনি পড়তে পারেন, নাও পড়তে পারেন। আমরা ইতিমধ্যেই আমাদের নির্বুদ্ধিতার খেসারত দিতে শুরু করেছি!

শুক্রবার, ৯ মে, ২০১৪

ভালোবাসার গল্প ২

৫ বছর আগে লেখা জ্যোতির এই ব্লগটার মতো দুঃখজাগানিয়া ব্লগ আমি কমই পড়েছি। একটা কারণ হচ্ছে, আমি পড়ি কম। সব সচলের চাইতে আমি কম পড়েছি। আরেকটা কারণ হচ্ছে, আমি দুঃখজাগানিয়া লেখা পড়িনা, বিরক্ত হই। জ্যোতি প্যানপ্যান করে এই লেখা লেখেনি। জ্যোতিকে চিনি বলে লেখাটা পড়া হয়েছিল।

জার্মানিতে আসার মাসদুয়েক পর ইন্দোনেশিয়ান এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার মেয়েরা অসামান্যা। বেশিরভাগেই আকারে বাঙালির কাছাকাছি। আর ওইটুকু শরীরে সব নারীত্ব এঁটেসেঁটে বসিয়ে দিতে প্রকৃতিকে বিশেষ যত্ন নিতে হয় বলে আমার বিশ্বাস। সেই মেয়ে যতদূর মনে পড়ে বন্ধুত্বের অমরত্ব ইত্যাদি বিষয়ে আলাপ করার চেষ্টা করছিল। আমি তাকে বললাম, তোমার সঙ্গে কিছুদিন পর আমার আর কখনোই দেখা হবেনা! স্থায়ী ঘর বানিয়ে আমার প্রতিবেশি হয়ে যাবে সেরকম ভাবনা মেয়েটার নিশ্চয়ই ছিলনা। কিন্তু মেয়েটা প্রতিবাদ করতে চেষ্টা করল তবুও।

শুক্রবার, ২ মে, ২০১৪

হেনরিয়েটার অমরত্বের গল্প

হেনরিয়েটা অসাধারণ কিছু করে বসে অমর হননি। ওনার কেবল একটা রোগ হয়েছিল। ক্যান্সার। জরায়ু মুখে। জরায়ুর মুখকে যদি একটা দেয়াল ঘড়ির সঙ্গে তুলনা করা যায় তাহলে হেনরিয়েটার প্রাথমিক টিউমারটি ছিল চারের কাঁটার কাছাকাছি।

শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০১৪

ভালোবাসার গল্প

এটা অতি পুরোন এক লেখা। এবং ভয়াবহভাবে আবেগপ্রসূত! আবেগে যাঁদের আপত্তি আছে তাঁদের ভেতরে প্রবেশ না করাই ভালো। বস্তুত এই লেখাটি কখনোই প্রকাশিত হবার সম্ভাবণা ছিলনা। আজকে হঠাৎ সামনে পড়ায় কী ভেবে প্রকাশ করে দিলাম!
অনেকদিন কিছু লিখিনা। মাঝে মঝে লিখতে ইচ্ছে করে।